নানা সমস্যায় জর্জরিত সাত কলেজ

0

সাত কলেজে বর্তমান সংকট গুলোর মধ্যে প্রধান হলো পরীক্ষার ফলাফল নিম্নমানের হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই।শিক্ষার্থীরা একাডেমিক সেবার ক্ষেত্রে সাত কলেজে গেলে পাঠানো হয় ঢাবিতে। একই সমাধানের জন্য ঢাবিতে গেলে বলা হয় কলেজে যেতে এটি বিভ্রান্তিকর ও দুঃখজনক অবস্থা।

ফলাফল সমন্বয়ে ২/৪ মাস লাগিয়ে দেওয়া, অনলাইনে ফলাফল সমন্বয় ও পুনঃ নিরীক্ষণ সিষ্টেম চালু করা। ঢাবি এবং সাত কলেজে সমন্বয়হীনতা নিত্য দিনের সঙ্গী। সাত কলেজ ছাত্রছাত্রীরা একাডেমিক যে কোন তথ্য পেতে ঢাবি এবং সাত কলেজে দৌড়াতে দৌড়াতে ক্লান্তশ্রান্ত হয়ে পরে, তবুও সঠিক তথ্য পেতে ব্যর্থ হয়।

আরও জানুনঃ ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজ ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য

★ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণায় নানা অজুহাত ও ফলাফল প্রকাশে ৬ বা ৮ মাস শেষ করে দেয়া।
★ ঢাবি শুধু মাত্র দায় সারা কর্মকাণ্ড করে থাকে যা সাত কলেজের জন্য হুমকি স্বরূপ।
★ সাত কলেজ তথা সাতজন অধ্যক্ষ যে কোন সংকট সমাধানে তাৎক্ষণিক কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না ঢাবি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অজুহাতে।
★ ঢাবির অজুহাত দেখিয়ে সাত কলেজের শিক্ষকরাও অনেকটা আলিশান সময় পার করছেন! তারা ছাত্রছাত্রীদের পাঠ দানে অবহেলা ও ফলাফল বিপর্যয়ের ক্ষেত্র কোন ধরণের চিন্তিত নন। প্রতিটা শিক্ষকের ভাবসাব এমনই যেন তারা কোন কিছুর জন্যই দায়বদ্ধ নয় সবই ঢাবি করবে!!

আরও জানুনঃ এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে নতুন বিবৃতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ঢাবির সিলেবাস অনুযায়ী সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা ঢাবির আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ। আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া সাত কলেজের ভালোর জন্য কোন নতুন কর্মপরিকল্পনা ঢাবির পক্ষ থেকে বাস্তবায়ন হয় না। ইতিমধ্যে করোনা কালীন সাত কলেজের পরীক্ষা সংকট ও টিকা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অবহেলা ও বিলম্ব হওয়ার বিষয় উন্মোচিত হয়েছে।

সাত কলেজের জন্য একটি আলাদা প্রশাসন প্রয়োজন যারা মন থেকে সাত কলেজের জন্য কাজ করবে।
অন্যথায় অবিভাবকে শূন্য সাত কলেজ পথ হাড়াই রয়ে যাবে উন্নতি সম্ভব নয়। এভাবে চললে সাত কলেজের শিক্ষার উন্নতি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন কখনো পূরণ হবে না।

একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর লেখা

 

পোষ্টটি লিখেছেন

9b2f746da0b1d61d86d98977f38e3b7d?s=100&d=mm&r=g
মোঃ আলী আজগর ফারহাদ