রেজাল্ট ফাঁকা/রেজাল্ট Abs or W/বোর্ড চ্যালেঞ্জ/সার্টিফিকেট ও মার্কশীট উত্তোলন বিষয়ে বিস্তারিত

0

সাত কলেজের রেজাল্ট ইনকম্পিলিট/ ইম্প্রুভ মার্কস এড না হওয়া, Abs/ W , পুনঃ নিরীক্ষণ/বোর্ড চ্যালেঞ্জ, মার্কশীট ও সার্টিফিকেট উত্তোলনের এবং আপনাদের ইনবক্সে জিজ্ঞেস করা কমন প্রশ্নের সমাধান এই লেখার মাধ্যমে।

লেখাঃ সাঈদুর রহমান তানভীর, শিক্ষার্থী ঢাকা কলেজ

অনেকেরই বিভিন্ন বর্ষে ইম্প্রুভ থাকার কারনে রেজাল্ট ইনকম্পিলিট আসে। ইনকম্পিলিট আসলে সকল রেজাল্ট কপি, প্রবেশপত্র ফটোকপি এবং একটা দরখাস্ত লিখে অধ্যক্ষের সিগনেচার সহ ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ৩২২ নাম্বার রুমে জমা দিতে হবে। এরপর ঢাবি রেজাল্ট সমন্বয় করে সিজিপিএ প্রকাশ করবে। ইম্প্রুভ মার্কস এড না হলেও সেইম কাজই করতে হবে।

Abs=Absent / W = Withheld/ রেজাল্ট ঘরে ফাঁকা আসলে করণীয়ঃ

অনেকেরই পরীক্ষায় উপস্থিত থাকার পরও দেখা যায় Absent আসছে। তাদেরকে এটেন্ডেস শীটের কপি (যেই কলেজে সিট পড়ছে ওখান থেকে নিতে হবে) , প্রবেশপত্র, একটা দরখাস্ত প্রিন্সিপাল / ডিপার্টমেন্ট হেডের সিগনেচার সহ ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ৩৫০ নাম্বার রুমে জমা দিতে হবে। Withheld ইনকোর্স নাম্বার এড না হওয়া, খাতা হারিয়ে যাওয়া, বহিষ্কার বহু কারনে আসতে পারে। Withheld আসলেও সেইম কাজ করতে হবে।

পুনঃ নিরীক্ষণ/ বোর্ড চ্যালেঞ্জঃ

ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ৩১০ নাম্বার রুম থেকে পুনঃ নিরীক্ষণ ফরম এবং অনলাইন থেকে ব্যাংক রশিদ (অনেক সময় ঢাবি থেকে দেয়। বাট নিজে অনলাইন থেকে প্রিন্ট করে নেওয়া ভালো) সংগ্রহ করে যথাযথ ভাবে পূরণ করে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে। এরপর পুনঃ নিরীক্ষণ ফরম পূরণ করে অধ্যক্ষের সিগনেচার, রেজাল্ট কপি, প্রবেশপত্রের ফটোকপি সহ আবার ৩২২ নাম্বার রুমে গিয়ে জমা দিতে হবে। পুনঃ নিরীক্ষণ ফি প্রতি সাবজেক্টে ৮০০ টাকা।

সার্টিফিকেট ও মার্কশীট উত্তোলনঃ

ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ৩১০ নাম্বার রুম থেকে সার্টিফিকেট বা মার্কশীট উত্তোলন ফরম (দুইটা ৩০টাকা) এবং অনলাইন থেকে ব্যাংক রশিদ (পোস্টে লিংক দেওয়া আছে ব্যাংক রশিদের) সংগ্রহ করে যথাযথ ভাবে পূরণ করে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পর সার্টিফিকেট বা মার্কশীট উত্তোলন ফরম পূরণ করে সার্টিফিকেটের জন্য ৩০৯ এবং মার্কশীটের জন্য ৩০৮ নাম্বার রুমে গিয়ে জমা দিতে হবে। সার্টিফিকেট ফি ৩০০ টাকা। মার্কশীট ফি ৪৫০ টাকা।
বিঃদ্রঃ সাত কলেজের যে কোন সমস্যার জন্য ঢাবির রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ৩২২ নাম্বার রুমে যোগাযোগ করবেন।  ওখান থেকে আপনাকে বলে দিবে কিভাবে কি করতে হবে।
প্রশ্নঃ ১/২ সাবজেক্টে ফেল থাকলে মাস্টার্সে ভর্তি হওয়া যাবে কিনা?
উঃ অধিভুক্ত হওয়ার পর থেকে অনার্স ১১-১২ সেশন থেকে শুরু করে অনার্স ১৪-১৫ পর্যন্ত সুযোগ পেয়েছে। এবারও আশাকরি দিবে। তবে এরজন্য কলেজের প্রিন্সিপালদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। এমনি এমনি সুযোগ দিবে না। যাদের ফেল আসছে তারা কয়েকজন মিলে এই বিষয়ে নিজ নিজ কলেজের অধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগ করবেন।
প্রশ্নঃ রেজিষ্ট্রেশন মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে ডিগ্রির সার্টিফিকেট দিবে কিনা?
উঃ রেজিষ্ট্রেশনের মেয়াদ ছয় শিক্ষাবর্ষ। এর মধ্যেও পাশ না করতে পারলে ঢাবি নির্দিষ্ট ফি নিয়ে আবারও পরীক্ষার সুযোগ দেয়। পাশ করার পর অনার্সের সার্টিফিকেটই পাবেন।
প্রশ্নঃ চতুর্থ বর্ষে ইম্প্রুভ দেওয়া যায় কিনা?
উঃ চতুর্থ বর্ষে পাশ করা সাবজেক্টে ইম্প্রুভ দেওয়ার অফিসিয়ালি কোন সিস্টেম নাই (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন গুলোর জন্য), তবে ফেল থাকলে সাথে পাস করা C,D সাবজেক্টে দেওয়া যায়। এছাড়াও সব বিষয়ে পাস করার পরও অনেকে দেয়। যেটা ইলিগ্যাল, দিলে নিজ দায়িত্বে দিবেন। আমাদের এই বিষয়ে কোন পরামর্শ নেই।
আপনি যেই সেশনেরই শিক্ষার্থী হোন এই পোস্ট আপনার কোন একসময় কাজে লাগবেই। তাই সেইভ করে বা শেয়ার করে রেখে দিতে পারেন।

পোষ্টটি লিখেছেন

নাঈমুর রহমান দুর্জয়
নাঈমুর রহমান দুর্জয়
নাঈমুর রহমান দুর্জয়, শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ওয়েবসাইট "এডু হেল্পস বিডি"র প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হিসেবে নিয়োজিত আছেন। ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজ এর সরকারি বাঙলা কলেজে এমবিএ করতেছেন।