প্রাণ প্রিয় ক্যাম্পাসে আবারো ফিরতে চাই তিতুমীরিয়ান শিক্ষার্থীরা

ক্যাম্পাসের প্রতি ভালোবাসার টান বুঝাতেই হয়ত এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দীর্ঘ ছুটি। করোনাভাইরাসের প্রকোপে ব্যহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এরইমধ্যে কয়েক দফায় বাড়ানো হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটি। ভাইরাসের প্রকোপ না কমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে না বিশেষজ্ঞরা। সরকারও হুটহাট করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায় না।

চলমান পরিস্থিতিতে সারাদিন ঘরবন্দি শিক্ষার্থীরা। কেউ কেউ অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন অনলাইন কোর্সে। কলেজের ডিপার্টমেন্ট থেকেও হচ্ছে অনলাইন ক্লাস। তবে এমন ঘরবন্দি জীবনে অতীষ্ট শিক্ষার্থীরা, তারা যত দ্রুত সম্ভব ফিরতে চান প্রাণের ক্যাম্পাসে।

কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যেন স্থবির হয়ে পড়েছে। তাছাড়া সেশনজটের সাথে সাত কলেজের পুরানো সম্পর্ক। যদিও বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থেকে অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করা হলেও তা যথেষ্ট না। কারণ অনেক শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট কেনার মতো আর্থিক অবস্থা নেই। সার্বিক দিক বিবেচনা করে তাই কলেজ খুলে দেয়ার পক্ষে মত অনেকের।

করোনার প্রকোপ এখন অনেকটাই কমে গেছে। লকডাউন এখন শিথিল, গণ-পরিবহন চলছে আগের নিয়মে, মার্কেটসহ সব জায়গায় এখন আগের মতই মানুষের আনাগোনা। তাই শিক্ষার্থীরাও এখন আর ঘরে বসে থাকতে চায় না।

An unwelcome long vacation may be meant to imply a love affair on campus. The coronavirus outbreak is hampering educational activities. In the meantime, the leave of the educational institutions has been extended in several phases. Experts are not in favor of opening an educational institution if the outbreak of the virus does not decrease. The government also does not want to take any decision in a hurry.

Students under house arrest all day in the ongoing situation. Some are taking part in various online courses. There are also online classes from the college department. However, students who are overwhelmed by such a confined life, want to return to the campus of life as soon as possible.

As the college is closed, the students’ studies seem to have come to a standstill. Moreover, the old relationship of seven colleges with Sesanjat. Although online classes are arranged from different departments, it is not enough. Because many students do not have the financial means to buy smartphones and internet. Considering the overall aspect so many like to open the college.

Outbreaks appear to be exacerbated during this time. Lockdown is now relaxed, public transport is running as usual, people are flocking to all places including markets. So students do not want to sit at home anymore.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *